শামসুজ্জামান খান
বই - ১ টি

বাঙালি মুসলমানের সংস্কৃতি ও ইতিহাসে বিভিন্ন বৈপরীত্য ও অসংগতি এবং বৃহৎ জটিল সামাজিক-নৃতাত্ত্বিক প্রক্রিয়ার পরিণতি শামসুজ্জামান খান (১৯৪০) তাঁর বিভিন্ন প্রবন্ধে ব্যাখ্যা করেছেন। এই কাজে তাঁকে শেরে বাংলা, মীর মশাররফ হােসেন, মওলানা মনিরুজ্জামান এছলামাবাদী এবং বঙ্গবন্ধুর ভূমিকা নিয়ে গবেষণা করতে হয়েছে। অন্যদিকে ফোকলাের বিষয়ক রচনায় তিনি বাংলা ফোকলাের চর্চার সাবেকি ধরন পাল্টে দিয়ে বিশ্ব ফোকলাের চর্চার সাম্প্রতিক ধারার সঙ্গে যুক্ত করেছেন।
এই মুক্তমতি, বিজ্ঞানমনস্ক, উদ্ভাবনাময় ভাবুক গবেষক লেখক প্রবন্ধ-গবেষণা, ফোকলাের, বাংলা সন, রসরচনা, শিশুসাহিত্য, জীবনী, ক্রীড়া বিষয়ক রচনা, ভ্রমণকাহিনি, জার্নালধর্মী প্রায়। শত বইয়ের রচয়িতা ও সম্পাদক। শামসুজ্জামান খানের উল্লেখযােগ্য গ্রন্থের মধ্যে আছে—নানা প্রসঙ্গ, মাটি থেকে মহীরূহ, মীর মশাররফ হােসেন : নতুন তথ্যে, নতুন ভাষ্যে, বঙ্গবন্ধুর রাষ্ট্রচিন্তা ও বর্তমান বাংলাদেশ, মুক্তবুদ্ধি, । ধর্মনিরপেক্ষতা ও সমকাল, বুদ্ধিজীবী ও রাষ্ট্র : পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশ, তর্ক-তদন্তে পাওয়া রবীন্দ্রনাথ, রাষ্ট্র ধর্ম ও সংস্কৃতি, বাংলার গণসংগীত, আধুনিক ফোকলাের চিন্তা, সাম্প্রতিক ফোকলাের ভাবনা, বাংলা সন ও পঞ্জিকার ইতিহাস-চর্চা এবং বৈজ্ঞানিক সংস্কার, ঢাকাইয়া রঙ্গরসিকতা, দুনিয়া মাতানাে। বিশ্বকাপ এবং মওলানা মনিরুজ্জামান এছলামাবাদী ইত্যাদি।
শামসুজ্জামান খান গবেষণাকর্মের স্বীকৃতিস্বরূপ রাষ্ট্রীয় সর্বোচ্চ স্বাধীনতা পুরস্কার ও একুশে পদকে ভূষিত হয়েছেন। এছাড়া। বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার, ভারতের চুরুলিয়ার নজরুল একাডেমি প্রদত্ত রবীন্দ্র পুরস্কারসহ নানা পুরস্কার ও সম্মাননায়। ভূষিত হয়েছেন। তিনি বিভিন্ন সময় রাষ্ট্রের তিনটি সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান-বাংলা একাডেমি, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমী ও বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালকের দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক।

ক্যাটাগরী