কবি, প্রাবন্ধিক, গবেষক, ছোটকাগজ সম্পাদক ও উপস্থাপক। গল্প লেখার মধ্য দিয়ে লেখালেখি শুরু করেন আশির দশকের গোড়াতে। ‘হাওয়ায় রাত ভাসে ভাসে নিদ্রা’, ‘ফড়িঙের পাখা পোড়ে’, ‘নদীর তলপেট ফোঁড়ে উড়ে যায় রোদ’, ‘আমি দেখি অন্য আকাশ : নির্বাচিত কবিতা’, ‘যখন ভাঙে নক্ষত্র’ এবং ‘মাতাল মেঘের ওড়াউড়ি’ কাব্যগ্রন্থসমূহের মাধ্যমে ক্রমশ প্রকাশিত হতে থাকনে। প্রকাশিত গল্পগ্রন্থের নাম : ‘ঘাটে নদী নেই’। ‘নরম রোদের আলোয়’ তাঁর একটি প্রবন্ধের বই। গবেষণা গ্রন্থ চারটি। এগুলো হল– ‘বাংলাদেশের পুতুলনাচ’, ‘বাংলাদেশের হাজং জনগোষ্ঠী’, ‘ বাংলাদেশের লোকজ সংস্কৃতি গ্রন্থমালা শেরপুর’ এবং ‘বাংলাদেশের কোচ জনগোষ্ঠীর সমাজ ও সংস্কৃতি’। সম্পাদনা করেছেন ‘আমার বাংলাদেশ’ ও ‘রূপকথার এই বাংলাদেশ’ নামে একটি স্বদেশ-ভাবনা বিষয়ক ও একটি শিশুতোষ গ্রন্থ। সম্পাদনা করেন– লোক-নন্দন বিষয়ক পত্রিকা ‘বৈঠা’। বিভিন্ন বিষয়ে এ পর্যন্ত তিনটি সংখ্যা বেরিয়েছে : ‘জ্যোৎস্না’ ‘বৃষ্টি’ এবং ‘গ্রাম’। তিনি মঞ্চ, বেতার এবং টেলিভিশনের উপস্থাপক।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচ.ডি ডিগ্রি এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ভ্রমণ করেছেন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ভারত, বাহরাইন, কাতার, শ্রীলঙ্কা, জাপান, হংকং, ব্যাংকক ও ওমান। তাঁর জন্ম : ১৯৬৫ সালে। জন্মস্থান : শেরপুর। ড. শিহাব শাহরিয়ার সাংবাদিকতা দিয়ে কর্মজীবন শুরু করেছিলেন। বর্তমানে বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরে কর্মরত রয়েছেন।

">

কবি, প্রাবন্ধিক, গবেষক, ছোটকাগজ সম্পাদক ও উপস্থাপক। গল্প লেখার মধ্য দিয়ে লেখালেখি শুরু করেন আশির দশকের গোড়াতে। ‘হাওয়ায় রাত ভাসে ভাসে নিদ্রা’, ‘ফড়িঙের পাখা পোড়ে’, ‘নদীর তলপেট ফোঁড়ে উড়ে যায় রোদ’, ‘আমি দেখি অন্য আকাশ : নির্বাচিত কবিতা’, ‘যখন ভাঙে নক্ষত্র’ এবং ‘মাতাল মেঘের ওড়াউড়ি’ কাব্যগ্রন্থসমূহের মাধ্যমে ক্রমশ প্রকাশিত হতে থাকনে। প্রকাশিত গল্পগ্রন্থের নাম : ‘ঘাটে নদী নেই’। ‘নরম রোদের আলোয়’ তাঁর একটি প্রবন্ধের বই। গবেষণা গ্রন্থ চারটি। এগুলো হল– ‘বাংলাদেশের পুতুলনাচ’, ‘বাংলাদেশের হাজং জনগোষ্ঠী’, ‘ বাংলাদেশের লোকজ সংস্কৃতি গ্রন্থমালা শেরপুর’ এবং ‘বাংলাদেশের কোচ জনগোষ্ঠীর সমাজ ও সংস্কৃতি’। সম্পাদনা করেছেন ‘আমার বাংলাদেশ’ ও ‘রূপকথার এই বাংলাদেশ’ নামে একটি স্বদেশ-ভাবনা বিষয়ক ও একটি শিশুতোষ গ্রন্থ। সম্পাদনা করেন– লোক-নন্দন বিষয়ক পত্রিকা ‘বৈঠা’। বিভিন্ন বিষয়ে এ পর্যন্ত তিনটি সংখ্যা বেরিয়েছে : ‘জ্যোৎস্না’ ‘বৃষ্টি’ এবং ‘গ্রাম’। তিনি মঞ্চ, বেতার এবং টেলিভিশনের উপস্থাপক।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচ.ডি ডিগ্রি এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ভ্রমণ করেছেন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ভারত, বাহরাইন, কাতার, শ্রীলঙ্কা, জাপান, হংকং, ব্যাংকক ও ওমান। তাঁর জন্ম : ১৯৬৫ সালে। জন্মস্থান : শেরপুর। ড. শিহাব শাহরিয়ার সাংবাদিকতা দিয়ে কর্মজীবন শুরু করেছিলেন। বর্তমানে বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরে কর্মরত রয়েছেন।

"/>
শিহাব শাহরিয়ার
বই - ১ টি

কবি, প্রাবন্ধিক, গবেষক, ছোটকাগজ সম্পাদক ও উপস্থাপক। গল্প লেখার মধ্য দিয়ে লেখালেখি শুরু করেন আশির দশকের গোড়াতে। ‘হাওয়ায় রাত ভাসে ভাসে নিদ্রা’, ‘ফড়িঙের পাখা পোড়ে’, ‘নদীর তলপেট ফোঁড়ে উড়ে যায় রোদ’, ‘আমি দেখি অন্য আকাশ : নির্বাচিত কবিতা’, ‘যখন ভাঙে নক্ষত্র’ এবং ‘মাতাল মেঘের ওড়াউড়ি’ কাব্যগ্রন্থসমূহের মাধ্যমে ক্রমশ প্রকাশিত হতে থাকনে। প্রকাশিত গল্পগ্রন্থের নাম : ‘ঘাটে নদী নেই’। ‘নরম রোদের আলোয়’ তাঁর একটি প্রবন্ধের বই। গবেষণা গ্রন্থ চারটি। এগুলো হল– ‘বাংলাদেশের পুতুলনাচ’, ‘বাংলাদেশের হাজং জনগোষ্ঠী’, ‘ বাংলাদেশের লোকজ সংস্কৃতি গ্রন্থমালা শেরপুর’ এবং ‘বাংলাদেশের কোচ জনগোষ্ঠীর সমাজ ও সংস্কৃতি’। সম্পাদনা করেছেন ‘আমার বাংলাদেশ’ ও ‘রূপকথার এই বাংলাদেশ’ নামে একটি স্বদেশ-ভাবনা বিষয়ক ও একটি শিশুতোষ গ্রন্থ। সম্পাদনা করেন– লোক-নন্দন বিষয়ক পত্রিকা ‘বৈঠা’। বিভিন্ন বিষয়ে এ পর্যন্ত তিনটি সংখ্যা বেরিয়েছে : ‘জ্যোৎস্না’ ‘বৃষ্টি’ এবং ‘গ্রাম’। তিনি মঞ্চ, বেতার এবং টেলিভিশনের উপস্থাপক।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচ.ডি ডিগ্রি এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ভ্রমণ করেছেন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ভারত, বাহরাইন, কাতার, শ্রীলঙ্কা, জাপান, হংকং, ব্যাংকক ও ওমান। তাঁর জন্ম : ১৯৬৫ সালে। জন্মস্থান : শেরপুর। ড. শিহাব শাহরিয়ার সাংবাদিকতা দিয়ে কর্মজীবন শুরু করেছিলেন। বর্তমানে বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরে কর্মরত রয়েছেন।

ক্যাটাগরী